মেয়েদের শরীরে অবাঞ্ছিত লোম কেনো হয় এবং অবাঞ্ছিত লোম দুর করার উপায় । - RoktoGhor.Com

মেয়েদের শরীরে অবাঞ্ছিত লোম কেনো হয় এবং অবাঞ্ছিত লোম দুর করার উপায় ।

এভাবে আপনি আপনার শরীর এর অবাঞ্ছিত লোম দুর করতে পারেন ।

মেয়েদের শরীরে অবাঞ্ছিত লোম কেনো হয় এবং অবাঞ্ছিত লোম দুর করার উপায় ।

মেয়েদের শরীরে অবাঞ্ছিত লোম কেনো হয় এবং অবাঞ্ছিত লোম দুর করার উপায় ।
 অবাঞ্ছিত লোম দুর করার উপায় 

অনেক সময় কিছু কিছু মেয়েদের শরীরে পুরুষের মত অবাঞ্ছিত লোম দেখা যায় । যা খুব ই বিরক্তিকর একটা বিষয় নিজের কাছে । কেউ কেউ তো নার্ভাস ও ফিল করে । আজকে আমরা জানবো আসলে মেয়েদের শরীরে এই অবাঞ্ছিত লোম হওয়ার কারণ কি ? এবং শরীর এর এই অবাঞ্ছিত লোম দুর করা যায় কিভাবে ? তাহলে চলুন শুরু করা যাক । 


অবাঞ্ছিত লোম কোথায় কোথায় হয় ?


যে সকল জায়গায় সাধারণত লোম হাওয়ার কথা নয় সে সকল জায়গায় লোম হওয়াকেই অবাঞ্ছিত লোম বলা হয় । 

ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের শরীর এ লোম অনেক কম থাকার কথা । সাধারণত মেয়েদের মুখে অবাঞ্ছিত লোম হতে দেখা যায় । 


এছাড়া পিঠে , ঠোঁটের উপরে , থুতনিতে , বুকে সহ শরীর এর বিভিন্ন জায়গায় অবাঞ্ছিত লোম জন্মায় । বিজ্ঞানে এই অবাঞ্ছিত লোমের বৃদ্ধিকে হিরসুটিজম ( Hirsutism ) বলা হয়ে থাকে । যেকোনো বয়সের মেয়েদের জন্য এই অবাঞ্ছিত লোম বিরক্তিকর এবং বিভিন্ন কাজে বাধা হয়ে দাড়ায় ।


হরমোনের কারণে কি এই অবাঞ্ছিত লোম হয়ে থাকে ? 


কয়েকটি কারণের মধ্যে এই হরমোনের কারণে বেশিরভাগ মেয়েদের ই অবাঞ্ছিত লোম হয়ে থাকে । পুরুষের দেহের তুলনায় মেয়েদের শরীর এ এন্ড্রোজেন নামক হরমোন এর পরিমাণ কম থাকে । 

আরও পড়তে পারেন : 





তবে অনেক সময় মেয়েদের ডিম্বাশয় থেকে বেশি পরিমাণে এই এন্ড্রোজেন হরমোন এর উৎপত্তি ঘটার কারণে মেয়েদের শরীর এ অবাঞ্ছিত লোম জন্মায় । এছাড়াও হরমোনাল অসামঞ্জস্যতার কারণে মেয়েদের শরীরে এই অবাঞ্ছিত লোমের জন্ম হয় । 


পারিবারিক কারণে কি এই অবাঞ্ছিত লোম থাকে ? 


হ্যা , হরমোনাল অসামঞ্জস্যতার পাশাপাশি পারিবারিক সমস্যা থেকেও এই অবাঞ্ছিত লোম হয়ে থাকে । বংশগতিও কারণেও অনেকের শরীরে এই অবাঞ্ছিত লোমের দেখা মিলে ।

তবে এ নিয়ে ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই । সমস্যার সমাধান বিদ্যমান । মেয়েদের শরীরে অবাঞ্ছিত লোম অতিরিক্ত ফেসিয়াল এর কারণে হয়ে থাকে ।

ত্বকের ক্রিম ব্যাবহার এর কারণে হয়ে থাকে ।


বেশি পরিমাণে ত্বকে ফেসিয়াল ক্রিম এর ব্যাবহার করার কারণে এই অবাঞ্ছিত লোম হয়ে থাকে । দুই নাম্বার বা নকল ত্বকের ক্রিম ব্যাবহার করার কারনে ও এই সমস্যা হয়ে থাকে । তাই বাজারের ভুয়া বা নষ্ট বা খারাপ ফেসিয়াল ক্রিম ব্যাবহার থেকে বিরত থাকতে হবে । 

রোগের কারণে অবাঞ্ছিত লোম হয় । 


দেহে রোগ এর কারণেও এই অবাঞ্ছিত লোমের দেখা যায় । কুশিং সিন্ড্রোম নামক এক প্রকারের রোগ এর ফলে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অবাঞ্ছিত লোম দেখা যায় । 


মেডিসিনের প্রভাবে হয়ে থাকে ।



বিভিন্ন প্রকার স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবনের কারণে  শরীর এ অবাঞ্ছিত লোম সৃষ্টি হয় । এবং দীর্ঘদিন যাবত ধরে এই স্তরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন করলে শরীর এ অবাঞ্ছিত লোম দেখা যাবে । তাই এই সকল বিষয় থেকে যথাসম্ভব বিরত রাখুন নিজেকে । 


এই অবাঞ্ছিত লোম দুর করার পদ্ধতি সমূহ 


অবাঞ্ছিত লোম কোনো বিশেষ সমস্যা নয় । তবে এটি আমাদের হীনমন্যতায় ভোগায় । মানসিক চাপের সৃষ্টি করে ।  এর জন্য আমরা এই অবাঞ্ছিত লোম দুর করার চেষ্টা করি । 

কোনরকম অসুবিধা হলে অবশ্যই নিকটস্থ হাসপাতালে ডাক্তার এর পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত ।

বাজারে বিভিন্ন রকমের ফেসিয়াল হেয়ার রেমোভাল ক্রিম পাওয়া যায় সেগুলো ব্যাবহার করতে পারেন । তবে এগুলো সাময়িক ভাবে লোম দুর করবে । কিন্তু অবার লোম সৃষ্টি করবে ।

রেজার , কাটার সহ ইত্যাদি ব্যাবহার করে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দুর করা যায় । তবে এগুলো সাময়িক ভাবে লোম দুর করার উপায় । 

লেজার ট্রিটমেন্ট এর মাধ্যমে লোম গোড়া থেকে উঠিয়ে ফেলে সম্ভব । এবং নতুন করে লোম উঠতেও পারে না । কিন্তু এই চিকিৎসা পদ্ধতি অনেক ব্যায়বহুল এবং দক্ষ ডাক্তার এর প্রয়োজন হয় । 


রক্ত পরীক্ষা করার মাধ্যমে শরীরে হরমোনাল কোনো সমস্যা আছে কিনা সেটা দেখতে হবে । এবং হরমোন এর সঠিক মাত্রা বজায় রাখার জন্য ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী মেডিসিন গ্রহণ করতে হবে । তাহলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে । 

পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে , বাজারের নরমাল ক্রিম বা সাজ পণ্য ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে । এবং যদি আপনি মোটা থাকেন তাহলে পরিমিত মাত্রায় ব্যয়াম করে শরীর এর ওজন কমাতে হবে । তাহলে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম ও দুর হয়ে যাবে । 

Post a Comment